Leadership Skills
Leadership Skills | সফল ব্যক্তিত্বদের যে ৭টি গুণাবলী থাকে
BD EARNING POINT BUSINESS PLATFORM
ভালো লিডার হওয়া সময়-সাপেক্ষ ব্যাপার। আপনি হয়তো একটি কোম্পানীর কোন ডিপার্টমেন্টে গত ১০-১৫ বছর ধরে লিড দিচ্ছেন, তবুও একজন প্রকৃত লিডার হতে, যুগের সাথে চলতে হলে, আপনাকে প্রতিনিয়ত শিখতে হয়, চর্চা করতে হয়।
সুতরাং যদি প্রশ্ন করেন সফল ব্যক্তিদের কি কি লিডারশীপ গুণাবলী থাকা উচিত— সেটা এক কথায় উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। যদিও অনেক বিশ্ব লিডারদের জীবনী পড়ে এবং কিছু অসাধারণ লিডারদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে মিশে কিছু স্পেশাল গুণ দেখেছি। যেসব দক্ষতাগুলো যেকোন লিডারের ভেতর না থাকলে তার নেতৃত্ব গুণ নিয়ে প্রশ্ন উঠে। চলুন সে ধরণের ৭ টি লিডারশীপ গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করি।
১. ভিশনারী (Visionary)
প্রথমত একজন লিডারকে অবশ্যই ভিশনারী হতে হবে। একজন সফল লিডার জানেন কীভাবে ক্লিয়ার এবং এচিভেবল ভিশন তৈরি করতে হয়। একটি ব্যবসার অভারঅল প্লান এবং গোলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে ভিশন তৈরি করে তা টিমের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হয় তা তিনি জানেন। টিমের মধ্যে অনিশ্চয়তা অবশিষ্ট না রেখে কীভাবে কাজে ফোকাস থাকতে হয় তা তিনি ভালো জানেন। আর একজন ভিশনারী লিডারকে দেখে পুরো টিম উৎসাহিত হন। টিমের মধ্যে একজন লিডার তার ভিশন ছড়িয়ে দেওয়ার সঠিক মাধ্যমেই গুড লিডার থেকে গ্রেট লিডার হয়ে উঠতে পারেন। তার তৈরি ভিশন থেকে তিনি ফোকাস হারান না এবং তা থেকেই পুরো টিমের মধ্যে সর্বদা উত্তেজনা বিরাজ করে। টিমের প্রতিটি কর্মী কোম্পানীর ভিশনকে সফল করতে তখন আপ্রাণ চেষ্টা করে।
২. স্ট্রাটেজিক থিংকিং (Strategic Thinking)
একজন গ্রেট লিডার কোথা থেকে শুরু করে কোথায় যেতে চান তার একটি ক্লিয়ার প্লান তাঁর থাকে। টিমের মধ্যে যেকোন সমস্যা তৈরি হলে তা তিনি সঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারেন এবং টিমের মধ্য থেকেই সমাধান বের করার ব্যবস্থা করেন। চাপের মধ্যেও তিনি কীভাবে স্থির থাকতে হয় এবং কোয়ালিটি ডিসিশন নিতে হয় তা তিনি জানেন। আত্মবিশ্বাস ধরে কীভাবে টিমমেটদের সাথে কাজ শেয়ার করতে হয় তার উদাহরণ সৃষ্টি করেন। একটি ভালো ব্যবসা রাইট প্লানিং ছাড়া বেশি দূরে যেতে পারে না। আর একজন প্রকৃত লিডার কোম্পানীর রিসোর্সকে সামনে রেখে স্ট্রাটেজিক প্লান এবং রিয়েলেস্টিক গোল সেট করেন যা টিমের মধ্যে অনুপ্রেরণা এবং শৃঙ্খলা নিয়ে আসে। কোম্পানীর কর্মীদের সন্তুষ্ট রেখে তিনি ম্যানেজমেন্টকে আশার আলো দেখাতে পারেন।
৩. সহমর্মিতা (Empathy)
একজন সফল নেতা জানেন যে কাজের সাথে সাথে মানুষও গুরুত্বপূর্ণ। আর এজন্য মানবিক হওয়াটাও প্রয়োজন। সেজন্য একজন গ্রেট লিডার অন্য কর্মীদের প্রতি সর্বদা সহানুভূতিশীল। তারা যেমন টিমের অন্যদের কথা শুনেন তেমনি নতুন যেকোন কিছু শিখতেও প্রস্তুত থাকেন। তিনি টিম মেম্বারদের কথা শুনে তাদের অনুভূতি, চাহিদা বুঝতে চান এবং পাশের মানুষের প্রতি সত্যিকার আগ্রহ দেখান। মানুষ তার পাশের জনের দ্বারা প্রভাবিত। সুতরাং একজন লিডার হিসাবে আপনি যখন সহানুভূতিশীল হন, তখন টিমের সকলেই সকলের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করে। এজন্য একজন কার্যকর নেতা তাদের টিমের প্রতি মনোযোগ দেন, তাদের কাজকে সফল করতে তাদের সাথে গুরুত্বের সাথে ব্যবহার করেন।
৪. উদ্যমী (Enthusiasm)
সেরা নেতার গুণাবলীর মধ্যে উদ্যমী হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য গুণ। একজন গুড লিডার তার টিমের প্রজেক্টকে কর্মপ্রেরণা এবং উদ্দীপনার সাথে এগিয়ে নিয়ে যান। আপনি নিজে যদি উৎসাহী বা কর্মশক্তিপূর্ণ না হন তবে আপনার টিমও ঝিমিয়ে পড়বে। মনে রাখবেন আবেগ সংক্রামক এবং আপনি যদি কর্ম উদ্দীপনা দিতে না পারেন তাহলে আপনার টিমও কাজের প্রতি অনিহা প্রকাশ করবে। তাই যারা আপনার সাথে কাজ করছে তাদের সাথে আপনার আনন্দ-উৎসব ভাগাভাগি করুন। এমনভাবে কাজ করুন যেন তারা আপনাকে অনুসরণ করতে চায়—অর্থাৎ তাদের কাছে রোল মডেল হোন, অধ্যবসায়ী হোন এবং ইতিবাচকতার সাথে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। এমন একজন উদ্যমী লিডারকে সবাই ভালোবাসেন। সেই সাথে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে জানতে পারবেন এই কোর্সে।
৫. গ্রেড কমিউনিকেটর এবং কলাবোরেটর (Communicator & Collaborator)
একজন সত্যিকার লিডার একজন ভালো কমিউনিকটরও বটে। তিনি জটিল কনসেপ্ট খুব সহজে বোঝাতে পারেন, আবার বুঝতেও পারেন। তিনি এমনভাবে যোগাযোগ করেন যেন অন্যরা তার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে। তিনি সহজ-সরলভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন। তিনি কখনই আক্রমনাত্মক নন এবং দৃঢ়তার সাথে টিমের সাথে মিলেমিশে চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করতে পারেন। একজন গ্রেট লিডার কথা বলার চেয়ে শোনেন বেশি এবং কোন কথাকে গুরুত্বের সাথে নিতে হবে তাও তিনি দক্ষতার সাথে হ্যান্ডেল করতে পারেন। তারা যেমন আশপাশের খোঁজ-খবর রাখেন তেমনি পরিস্থিতি খুব যত্ন সহকারে নিজের কন্ট্রোলে নিতে পারেন। সুতরাং একজন গ্রেট লিডার হতে হলে আপনার চারপাশে কি ঘটছে তা জানতে হবে এবং টিমের সবার সাথে যত্ন সহকারে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে।
৬. লিডার তৈরি করেন (Grow leaders)
একইভাবে একজন লিডার শুধুমাত্র নিজেকে তৈরি করেন না, তিনি টিমের মধ্যে আরও লিডার তৈরিতে সময় দেন। প্রতিটি প্রজেক্ট তিনি ছোট ছোট ভাগ করে অন্যদের বুঝিয়ে দেন এবং সেখানে তিনি কর্মোদ্দম অনুসারে নতুন লিডার বেছে নেন। ছোট ছোট টিম করে কীভাবে বড় কাজকে তুলে আনতে হয় তা তিনি ভালো জানেন। অন্যদিকে টিমের কার ভেতর কি সম্ভাবনা বেশি তাও তিনি গুরুত্বের সাথে দেখেন এবং সে অনুসারে তিনি পরবর্তীতে কাজ বুঝিয়ে দেন। টিম যতো বেশি ছোট করে কাজ ডিভাইড করা যায় ততই তা আরও বেশি কার্যকরী হয়। দিন দিন টিম বড় করে বড় বড় প্রজেক্ট আরও সহজে সম্পন্ন করা সহজ হয়ে যায়। প্রতিটি টিম মেম্বারকে কীভাবে উৎসাহ দেওয়া যায় এবং তার ভেতর থেকে কীভাবে আরও বেশি সফলতা বের করা নিয়ে আসা যায় তা একজন গুড লিডার অনুধাবন করেন। এজন্য একজন গ্রেট লিডার প্রতিনিয়ত নতুন লিডার তৈরিতে দক্ষতার সাথে কাজ করে থাকেন।
৭. ন্যায়পরায়ণতা (Fairness/Integrity)
সবশেষে একজন লিডারকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ এবং সৎ হতে হবে। সততা যেকোন লিডারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যদি একজন লিডার উপরের অন্য সকল গুণাবলী থাকে তবু তিনি অসৎ হন তাহলে তিনি টিমের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেন না। একজন অসৎ লিডারের সাথে অন্য টিম মেম্বাররা কাজ করতে ভালোবাসেন না। তার নির্দেশনা অন্যদের কাছে ফেক মনে হয়। সুতরাং একজন লিডারকে অবশ্যই বিশ্বস্ত হতে হবে—টিমের অন্যরা যেন তার উপর ভরসা করতে পারে। সবাইকে যেমন তিনি সমানভাবে আচরণ করবেন ঠিক তেমনি তিনি সবাইকে সমান সম্মান করবেন। তিনি যেমন নিজের ভুল অন্যের উপর চাপিয়ে দিবেন না তেমনি যে যেটার প্রাপ্য তাকে সেটা দিবেন। অর্থাৎ একজন লিডারের দৃষ্টিভঙ্গি যত বেশি সৎ এবং স্বচ্ছ হবে, যাদের নেতৃত্ব দেবেন তাদের সম্মান, আস্থা এবং আনুগত্যের সাথে নেতৃত্ব দিবেন তিনি তত বেশি পুরস্কৃত হবেন।
যে কাজগুলো একজন লিডারের এড়িয়ে চলা উচিত? একটি কাজ বা প্রজেক্ট শেষ করার কোন এক্সাট ফর্মুলা নেই, তবে কিছু কিছু প্রাকটিস আছে যা আপনি এভোয়েড করলে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
যিনি মনে করেন তিনি সব জানেন বা বোঝেন এবং অন্য কেউ তার থেকে এ বিষয়ে বেশি জানতে পারে না— এমন কারও সাথে কাজ করা আসলেই কষ্টকর। একজন টিম লিডারের এমন গুণ থাকা ভয়ঙ্কর— বিজনেস, টিম মেম্বার, সর্বোপরি সবকিছুর জন্য। ]
যোগাযোগের গুরুত্ব না বোঝা— অর্থাৎ একজন লিডার টিমকে সঠিক তথ্য, গাইড দিতে পারে না, অনুপ্রাণিত করতে পারে না।
- অন্যদের কথা না শুনা, না বুঝতে চাওয়া।
- সঠিক সময়ে ফিডব্যাক দিতে না পারা একজন লিডারের ব্যর্থতা।
- মিথ্যা কথা বলা, প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া একজন লিডারের খুব বাজে গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম।
- প্রতিটি কাজ বা ব্যক্তির মধ্যে শতভাগ পারফেশন খোঁজা।
- কর্মীদেরকে মেশিন ভাবা, অর্থাৎ মানবিক আচরণ ভুলে যাওয়া।
- প্রচুর ইগো থাকা, হঠাৎ রেগে যাওয়া।
- ট্যালেন্ট তৈরিতে ব্যর্থ।
- ইরেগুলার হওয়া। কর্মীদের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে পাশে না থাকা একজন লিডারের ব্যবসা নষ্ট হওয়ার বড় কারণ।
শেষ কথাসুতরাং উপরের বিষয়গুলো একজন লিডারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে, মেনে চলতে হবে। সেই সাথে উপরিউক্ত গুণাবলী প্রতিনিয়ত প্রাকটিস করতে হবে।
আশা করি একজন সফল লিডার বা নেতার কি বিশেষ গুণাবলী থাকে তা উপলব্ধি করেছেন। এখন আপনাকে একজন প্রকৃত লিডার হতে উপরের গুণগুলো বেশি বেশি প্রাকটিস করতে হবে। আপনার টিমের ভেতরে এই গুণাবলী ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলে আপনার টিম হবে একটিভ এবং অন্যের জন্য অনুকরণীয়।
ডেভেলপ করার সহজ ৪ স্টেপ
দরদ দিয়ে সংগ্রাম করতে পারাই সুখ
লিডারশীপ হচ্ছে নিজের খেয়ে, অন্যকে দিয়ে বনের মোষ তাড়ানো। আরো সোজা কথায় বললে, যাকে অন্যরা ফলো করে সে-ই লিডার। সেটা ভার্সিটির ক্লাব, ভলান্টিয়ার অর্গানাইজেশন, কিংবা ট্যুরে বের হওয়া ফ্রেন্ডদের গ্রুপেও হতে পারে। তবে লিডারশীপ কোয়ালিফিকেশনের কথা শুনলেই বেশিরভাগ পোলাপান হাফ প্যান্ট খুলে দৌড় মেরে বাকি জীবন দুধ-ভাত হয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। অথচ লিডারশীপ ডেভেলপ করা খুবই খুবই সোজা। সিম্পল ৪ টা স্টেপ ফলো করলে যে কেউ লিডার হতে পারবে।
সপ্তাহে একদিন, মাসে অন্ততঃ দুইদিন কি নিজের জন্য রাখা যায় না? স্রেফ নিজের জন্য। সেদিন টিভি দেখলা না, ফেইসবুকিং করলা না, বাইরে ঘুরাঘুরি-আড্ডা দিলা না। কেউ দেখা করতে চাইলে তাকে শরীর খারাপ কিংবা দেশ থেকে চাচা আসছে- চাচাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে বলে- দেখা করলা না। দিনের প্রায় সবটুকু সময় নিজের জন্য রাখবা। আর এই দিনকে বলবা- আত্নদিবস।
স্টেপ-১: বি এভেইলএবল:
কম্পিউটারের খাচা, খেলা দেখার নেশা, বাথরুমের চিপা থেকে একটু সময় বের করতে হবে। ক্যাম্পাসে প্রায়ই কালচারাল ইভেন্ট, ক্যারিয়ার ক্লাব, ডিপার্টমেন্টের প্রোগ্রাম, ভলান্টিয়ার এক্টিভিটি হয়। এরকম একটা বা দুইটা ইভেন্টে যাবা। নির্ধারিত সময়ের একটু আগে গিয়ে কোনার মধ্যে লুকিয়ে না থেকে, অর্গানাইজাররা যেখানে ছোটাছুটি করতেছে তার আশেপাশে ঘুরাঘুরি করবা। তেমন কিছু বলার বা করার দরকার নাই। জাস্ট দেখো, খেয়াল করো, অবজার্ভ করো। কেউ ভারি কিছু একা একা সরাইতে না পারলে একটু হেল্প করো। ব্যস, এই টুকুই। এর বেশি কিছু না।
স্টেপ-২: বি হেল্পফুল:
অর্গানাইজাররা যখন দেখবে তুমি হেল্প করতেছ এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে বুঝাই দিচ্ছ তুমি এভেইলএবল। তখন তারাই বলবে, রিসেপশনের যে থাকার কথা সে এখনো আসে নাই। তুমি কি ওই খানে একটু বসতে পারবা? কোন গেস্ট আসলে সামনের সারিতে এনে বসবা। বা এই খাবারের প্যাকেটগুলার সাথে একটা করে ড্রিংকস দিতে পারবা? তখন হাসি মুখে বলবা- অবশ্যই। এই "অবশ্যই" শব্দটা বলে তুমি একটা অর্গানাইজেশনের আনঅফিসিয়াল মেম্বার হয়ে গেছ। এইভাবে দুই-তিনটা ইভেন্টে হেল্প করলে, ওরাই তোমাকে পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি বা ফুড সেক্রেটারি বানায় দিবে। ব্যস, তোমার সিভিতে বড় বড় করে লেখার মতো একটা জিনিস পেয়ে গেলা। যারা রুমে বসে বসে গেইম অফ থ্রোন দেখতেছে তাদের চেয়ে এগিয়ে গেলা।
স্টেপ-৩: বি এ ফলোয়ার:
একটা অর্গানাইজেশনের সাথে যুক্ত হলেই সেটার সাথে দিনরাত ২৪ ঘন্টা লেগে থাকা লাগে না। মাসে ৩-৪ ঘন্টা বা সেমিস্টারে ১০-১৫ ঘন্টা সময় দিলেই হয়। তবে তোমাকে যেসব দায়িত্ব দিবে সেগুলা সিনসিয়ারলি করবা। যেখানে যেতে বলবে সেখানে যাবা। পড়ালেখা ঠিক মতো করো বা না করো, এই কাজে কোন ফাঁকিবাজি করবা না। সিনিয়ররা যেসব ডিসিশন নিচ্ছে, সেগুলা খেয়াল করবা। বেশিরভাগ জিনিসই কমন সেন্স। তোমার কোন অভিমত থাকলে জানাবা। বি এ গুড ফলোয়ার। গুড লিসেনার। রিলায়েবল টিম মেম্বার। আর কিছু না।
স্টেপ-৪: বি এ লিডার:
তুমি যখন থার্ড ইয়ারের শেষ দিকে যাবা, তখনই সিনিয়রদের বিদায় ঘন্টা বেজে উঠবে। তারা চাইবে তাদের প্রাণপ্রিয় অর্গানাইজেশনটা কোন ইফেক্টিভ এবং সিনসিয়ার পারসনের হাতে তুলে দিতে। তুমি যেহেতু এত দিন ধরে দায়িত্ব নিয়ে হেল্প করেছ। তোমাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদ দিবে। তারপর থেকে তুমিই জুনিয়রদের কাজে লাগাবা। তুমিই ডিসিশন মেক করবা। মানে তুমিই লিডার হয়ে যাবা।
সো, লিডার হওয়ার জন্য হেল্প করার মেন্টালিটি নিয়ে এখন যারা লিড দিচ্ছে তাদের ফলো করতে থাকো। সময়ের আবর্তনে সুযোগ তোমার কাছে চলে আসবে। এতদিন সিনিয়ররা যা কিছু করতো সেগুলা কপি-পেষ্ট করলেই তোমার ভিতরে সাহস বেড়ে যাবে, ক্লাবের ভিশন ডেভেলপ হয়ে যাবে। কাকে দিয়ে কিভাবে কাজ করিয়ে নিতে হবে সেই বুদ্ধি গজাবে। হচ্ছে না, হচ্ছে না বলেও, শেষ মুহূর্তে স্পন্সর জোগাড় হয়ে যাবে। ঠেকায় পড়ে, পোস্টার ডিজাইন, ম্যাগাজিন প্রিন্ট, টি-শার্ট ডিজাইন শিখে ফেলবে। দশ-পনের জনের একটা টিম চালানোর দক্ষতার আবির্ভাব হয়ে যাবে। এভাবে কাজে নেমে পড়লে ঠিক সময়ে লিডারশীপ স্কিলও পয়দা হয়ে যাবে।
জীবনে সফল হওয়ার জন্য কনফিডেন্স অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কনফিডেন্স, পিপল ম্যানেজমেন্ট আর লিডারশীপ স্কিল ডেভেলপ করার জন্য ভার্সিটি লাইফ এবং ভার্সিটির অর্গানাইজেশনের চাইতে মামুলি জায়গা আর নাই। তাই যখন কোন টিমের সদস্য হবা তখন লিডার হওয়ার আগে ভালো টিম মেম্বার হও। কোন কিছু চাপিয়ে দেয়ার আগে, সেটা সবার সাথে ডিসকাস করে সবার ভিতর থেকে বের করে আনার চেষ্টা করো। অন্যের উপর কাজ চাপিয়ে না দিয়ে, সবাই মিলে দায়িত্ব ভাগ করে নাও। পজিটিভলি চিন্তা করো। আটকে গেলে, সিনিয়র বা স্যারদের পরামর্শ নিবে। যারা নতুন আসবে তাদেরকে কিভাবে কি করতে হবে বলে দিবে। এগুলাই লিডারশীপ। এগুলা করার জন্য ইচ্ছা আর চেষ্টাই যথেষ্ট।
.jpg)
BD EARNING POINT BUSINESS PLATFORM
